শনিবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং

ডিএনসিসির ৩৬ ওয়ার্ডে হচ্ছে ‘মিনি ফায়ার স্টেশন’

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

ডেনমার্কের সহায়তায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩৬টি ওয়ার্ডে মিনি ফায়ার স্টেশন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

রোববার (১৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এসট্রাপ পিটারসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এ কথা জানান।

ডেনমার্ক ঢাকায় প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে মিনি ফায়ার স্টেশন স্থাপন করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের অনেক সরু রাস্তা আছে। সরু রাস্তায় অনেক সময় অগ্নিকাণ্ড হলে ফায়ার স্টেশনের বড় গাড়ি যাওয়ার সমস্যা হয়। এত দূর থেকে যাওয়া…, প্রতিটি ওয়ার্ডে তো আমাদের ফায়ার স্টেশন নেই।

‘তাদের মিনি ফায়ার স্টেশন আছে। এটার (মিনি ফায়ার স্টেশন) মূল্য, উপযোগিতা, যাওয়া-আসার জন্য যে সমস্ত সুবিধা তা বিবেচনা করে তারা অফার করেছে যে সেগুলো যদি আমাদের প্রতিটি ওয়ার্ডে স্থাপন করতে পারি তাহলে মোটরসাইকেলে করেও কোথাও কোথাও গিয়ে অগ্নিনির্বাপণ করা সম্ভব। এজন্য আমি এটাতে ব্যক্তিগতভাবে আগ্রহ প্রকাশ করেছি এবং তারা অফার করেছে। ’

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৬টি ওয়ার্ডে আমরা প্রাথমিকভাবে মিনি ফায়ার স্টেশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেজন্য আমাদের একটি সমঝোতা স্মারকও সই হয়েছে।

তাজুল ইসলাম বলেন, সমঝোতা অনুযায়ী তারা বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেবে। আর এখানে যে মিনি ফায়ার স্টেশন স্থাপিত হবে সেজন্য তারা ৮৫ শতাংশ ঋণ দেবে।

এজন্য আনুষ্ঠানিক কাজ শেষ হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সময়সীমা নির্ধারিত না হলেও দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবো।

ফায়ার হাইড্রেন্ট বসানো নিয়ে এক প্রশ্নে তাজুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যখন অবকাঠামো নির্মাণের অনুমোদন দেবে তখন এটা করে দেওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সায়েদাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে ডেনমার্কের বিনিয়োগ ছিল। পদ্মা যশোলদিয়া পানি উৎপাদন কেন্দ্র থেকে পানি বিতরণের ক্ষেত্রে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে, সেটা প্রক্রিয়ায় আছে। তারা বাংলাদেশে গ্রিন এনার্জি ও ওয়েস্ট এনার্জি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমরা তাদের অভিনন্দন জানিয়েছি। সুনির্দিষ্টভাবে অফার দিলে আমরা কাজ করবো।

তাজুল ইসলাম বলেন, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে উত্তর সিটির জন্য অর্থনৈতিক ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয়েছে। আর দক্ষিণ সিটি গাজীপুরের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। চট্টগ্রামও এগিয়ে এসেছে। অল্প সময়ের মধ্যে সারাদেশ যেন বর্জ্য থেকে মুক্ত করতে পারি। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারি। আমি চাই দ্রুত এ কাজটা হোক।

এক্ষেত্রে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা আমাদের জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষিত হবে তারা কাজ করতে পারবে।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত