সোমবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

পদ্মা সেতুর ৩৫তম স্প্যানে দৃশ্যমান ৫২৫০ মিটার

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

পদ্মা সেতুর ৩৫তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো পাঁচ হাজার ২৫০ মিটার। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে মাওয়া প্রান্তের ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের ওপর ‘টু-বি’ স্প্যানটি বসানো হয়। নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্প্যানটিকে বহন করে পিলারের কাছে নিয়ে আসে তিন হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ভাসমান ক্রেন ‘তিয়ান-ই’।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ আব্দুল কাদের বলেন, শুক্রবার স্প্যানটি বসানোর কথা ছিল। নাব্যতা সঙ্কটের কারণে শিডিউল পরিবর্তন হয়। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সারাদিন ড্রেজিং করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা হয় ভাসমান ক্রেন ‘তিয়ান-ই’ নোঙরের জন্য। এরপর শনিবার সকালে ক্রেন দিয়ে স্প্যানটি নেয়া হয় নির্দিষ্ট পিলারের কাছে। দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে স্প্যানটি স্থাপন করা হয় ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের ওপর।

জানা গেছে, ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ২-বি স্প্যান নিয়ে মুন্সীগঞ্জের মাওয়ার কুমারভোগে অবস্থিত কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের স্টিল ট্রাস জেটি থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই রওনা দেবে শনিবার সকালে। রওনা দেওয়ার ৩০ মিনিট পরই সেটা কাঙ্ক্ষিত পিয়ারের কাছে পৌঁছে যাওয়ার কথা। আর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দুপুর নাগাদ স্প্যানটি পিয়ারে বসানো যাবে।

সেতুর ৩৫তম স্প্যান বসার পর বাকি থাকবে মাত্র ছয়টি স্প্যান। কারণ, সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যান বসানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মুন্সিগঞ্জের মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে শনিবার সকাল ৯টায় ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্প্যানটিকে বহন করে নিয়ে যাবে ৩ হাজার ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার ভাসমান ক্রেন ‘তিয়ান-ই’। এখানে নোঙর করার কাজটি খুবই সতর্কতার সঙ্গে করতে হয়। এজন্য পদ্মানদীতে অনুকূল আবহাওয়া থাকা জরুরি।

চলতি অক্টোবর মাসেই বসানো হয়েছে ৩টি স্প্যান। মোট বসানো হয়েছে ৩৪টি স্প্যান। আর বাকি ৭টি স্প্যান বসানোর কাজ। মনে করা হচ্ছে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সব স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হবে।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত