মঙ্গলবার, ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

এএসআইয়ের নেতৃত্বে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, সহযোগী আটক

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এক সহকারী উপ-পরিদর্শকের (এএসআই) নেতৃত্বে এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে মামলা দায়েরের পর ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।
তবে অভিযুক্ত এএসআইয়ের নাম নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রংপুর মহানগরীর হারাগাছ থানার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এএসআই রায়হানুল ইসলাম। পরিচয়ের সময় রায়হান তার ডাক নাম রাজু বলে জানান ওই ছাত্রীকে।
সম্পর্কের সূত্র ধরে রোববার সকালে ওই ছাত্রীকে ক্যাদারের পুল এলাকার শহিদুল্লাহ মিয়ার ভাড়াটিয়া আলেয়া বেগমের বাসায় নিয়ে যান তিনি। ওই বাসায় আরেক সহযোগী আর তিনি মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ ওই ছাত্রীকে ওই বাসা থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় আলেয়া বেগমকে আটক করে পুলিশ।
ছাত্রীর বাবা পুলিশ সদস্য রাজুসহ দু’জনের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে রাত পৌনে ১২টায় পুলিশ অসুস্থ ছাত্রীকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের ভর্তি করায়।
এ ঘটনায় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন জানান, প্রাথমিক জ্ঞিাসাবাদে তাকে দু’জন ধর্ষণ করেছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রাজু নামের একজন পুলিশ সদস্যের কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে ওই রাজু ডিবি পুলিশের এএসআই রায়হানুল কিনা তা নিশ্চিত হতে রায়হানুলকেও পুলিশের জিম্মায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত