মঙ্গলবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

‘পদ্মাসেতু শেখ হাসিনার সাহসের প্রতীক, অল ওয়েদার সড়ক প্রকৌশলীদের’

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

পদ্মসেতু প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতেই এগিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মাসেতু শেখ হাসিনা এবং তার সরকারের সাহস ও সক্ষমতার প্রতীক। তেমনি ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক ইঞ্জিনিয়ারদের সফলতার প্রতীক। হাওড়ের মাঝখানে এরকম সড়ক নির্মাণ এটি হাওড়ের বিস্ময় বলে পরিচিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সেখানে উপস্থিত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের তার মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজের বর্তমান অগ্রগতি ৮৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। সেতুর ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ৩১টি স্প্যান স্থাপন শেষ হয়েছে। বাকি ১০টি ‍জুলাইয়ের মধ্যে টার্গেট ছিল। কিন্তু পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে এই স্প্যান স্থাপনের কাজ একটু বিলম্বিত হলেও অন্যান্য কাজ থেমে নেই। স্রোত একটু শান্ত হলেই বাকি স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হবে।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের জন্য আরেকটি ড্রিম প্রজেক্ট ঢাকা মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬। এই প্রকল্পটির কাজও করোনাকালে নানান বাধাবিপত্তির পরও ৫০ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। এছাড়া মেট্রোলাইন-১ এবং মেট্রোলাইন-৫ এর নির্মাণ কাজের প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৬টি মেট্রোলাইন নির্মাণ করব। পুরো ঢাকা শহরকে যানজটনমুক্ত করার পথে এটা হবে সূদুরপ্রসারী পদক্ষেপ।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পদ্মাসেতু শেখ হাসিনা এবং তার সরকারের সাহস এবং সক্ষমতার প্রতীক। তেমনি ইটনা মিঠামইন অষ্টগ্রাম সড়ক ইঞ্জিনিয়ারদের সফলতার প্রতীক। হাওড়ের মাঝখানে এরকম সড়ক নির্মাণ হাওড়ের বিস্ময় বলে পরিচিত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন জায়গায় ৩৩টি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করেছি। আপনার (প্রধানমন্ত্রী) সুবিধামতো সময় পেলে সেগুলো উদ্বোধন করা হবে। সবগুলো কাজই আশ্চার্য দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। করোনাকালের প্রথম দিকে বিদেশি জনবল অনেকেই ছুটিতে যাওয়া সমস্যা ছিল। এখন তারা এসেছে। এখন আগের মতোই কাজ চলছে।’

গণভবন প্রান্তে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। শুরুতে উদ্বোধনকৃত প্রকল্পের ওপর ভিডিও চিত্র ও সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম। এছাড়া গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার গণভবন থেকে মিঠামইনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মিলনায়তনে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। মিঠামইন প্রান্তে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। সেখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, স্থানীয় নেতা ও কয়েকজন স্থানীয় উপকারভোগী মতবিনিময় করেন। এছাড়া প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্থানীয় নেতা ও বিভিন্ন উপকারভোগীর কথা শোনেন প্রধানমন্ত্রী।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত