শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

সাহেদের অস্ত্র মামলার রায় ২৮ সেপ্টেম্বর

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে করা অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ঠিক করেছেন আদালত।

ঢাকা মহানগরের ১ নম্বর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ আজ রোববার এই আদেশ দেন। এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের সরকারি কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল।

তাপস কুমার পাল বলেন, সাহেদের বিরুদ্ধে করা মামলায় উভয় যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখ ধার্য করেছেন। আমরা এই মামলায় সাহেদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছি।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাহেদের পক্ষে নাজমুল হোসেন, মনিরুজ্জামানসহ কয়েকজন আইনজীবী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি মর্মে সাহেদের খালাস চান তারা।

উভয় যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য আজ সাহেদকে কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হয়।

উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা অস্ত্র মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে গত ৩০ জুলাই ঢাকার আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

গত ১৯ আগস্ট অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত। ২৭ আগস্ট এই মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। ১৫ সেপ্টেম্বর মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। মামলার ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেছেন আদালত।

এর আগে ২৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজের বিচারক এ মামলার চার্জ গঠনের আদেশ দেন।

গত ৩০ জুলাই আদালতে চার্জশিট জমা দেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শায়রুল। এরপর ১৩ আগস্ট ঢাকার চিফ ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন।

৭ জুলাই উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালান র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ভ্রাম্যমাণ আদালত। হাসপাতাল থেকে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাব বাদী হয়ে সাহেদসহ ১৭ জনের নামে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে। মামলার নয় দিনের মাথায় ১৫ জুলাই সাহেদকে সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

পরদিন ১৬ জুলাই ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালতের অনুমতি নিয়ে ডিবি সাহেদকে নিয়ে ১৮ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে।

সাহেদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারা দেশে ৫০টির বেশি মামলা রয়েছে। মামলাগুলো বেশির ভাগ প্রতারণার। এ ছাড়া সাহেদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলাও হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত