রবিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

একদিনে করোনায় আরও মৃত্যু ৩২, শনাক্ত ২৬১১

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা পরীক্ষা ও শনাক্তের সংখ্যা কমেছে। বেড়েছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৬১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ৩২ জন।

এর মধ্যে পুরুষ ২৫ জন ও নারী ৭ জন। এ নিয়ে দেশে ২ লাখ ৫৫ হাজার ১১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। দেশে করোনায় সংক্রমিত হয়ে মোট মারা গেছেন ৩ হাজার ৩৬৫ জন।

করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, দেশে ৮৪টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) করোনা পরীক্ষা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় আগের নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৭৩৭টি নমুনা। এর আগের দিন ১২ হাজার ৬৯৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬০টি নমুনা।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ ১ হাজার ২০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬০৪ জন।

শুক্রবার ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৮৫১ জনের শরীরে করোনা সংক্রমিত হওয়ার তথ্য জানানো হয়। ওইসময় মারা যান ২৭ জন।

৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

অনলাইন ব্রিফিংয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, যেকোনো লক্ষণ বা উপসর্গ থাকলে কাছের পরীক্ষা কেন্দ্রে নমুনা পরীক্ষা করাবেন।যত পরীক্ষা করা হবে, ততই করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।তাই সামান্য জ্বর বা কাশিকে অবহেলা করবেন না।

উল্লেখ্য, চীনের উহান থেকে করোনা গত ছয় মাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে । চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে। দেশে করোনা সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

করোনায় মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত