সোমবার, ৩রা আগস্ট, ২০২০ ইং

করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৮, শনাক্ত ২৫২০

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা ও শনাক্ত কমেছে। তবে মৃত্যু বেড়েছে। নতুন করে ২ হাজার ৫২০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশে ২ লাখ ২১ হাজার ১৭৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত ২ হাজার ৮৭৪ জন মারা গেছেন।

করনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে আজ শনিবার এমন তথ্য জানানো হয়। আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ৪৪৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর আগের দিন ১২ হাজার ২৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। শেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন ৯ হাজার ৬১৫ জন।

এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখ ১ হাজার ৪৮০টি নমুনা। ব্রিফিংয়ে বলা হয়, মৃত ৩৮ জনের মধ্যে পুরুষ ২৯ জন ও নারী ৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১১৪ জন। এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৯০ জন সুস্থ হয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার দেশে করোনায় সংক্রমিত ২ হাজার ৫৪৮ জন শনাক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। মারা গিয়েছিলেন ৩৫ জন।

দেশে ৮০টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) করোনা পরীক্ষা হচ্ছে। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সব নির্দেশনা মেনে চলুন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে—এমন খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।’

উল্লেখ্য, চীনের উহান থেকে করোনা গত ছয় মাসে বিশ্বের ২১৩ টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে । চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে। দেশে করোনা সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

করোনায় মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত