শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

ঈদে গণপরিবহন চলবে : কাদের

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় দেশব্যাপী গণপরিবহন চলবে।

আজ বৃহস্পতিবার সেতুমন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

তবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী জানান, ভারী পরিবহন ঈদের তিন দিন আগে বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে জরুরি সেবাসহ কয়েক ধরনের পণ্যবাহী যান চলবে। এসব বিষয়ে বিআরটিএ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাবে।
ভিডিওবার্তায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ঈদে গণপরিবহন চলাচল নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। আমি আপনাদের বিষয়টি পরিষ্কার করতে চাই। আসন্ন ঈদুল আজহায় দেশব্যাপী গণপরিবহন চলাচল করবে। তবে প্রতি বছরের ঈদযাত্রার মতো ভারী পরিবহন তিনদিন আগে বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে জরুরি সার্ভিস, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য যেমন- পচনশীল দ্রব্য ছাড়াও ওষুধ, গার্মেন্টস সামগ্রী ও পশুবাহী গাড়ি নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।’

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত জানাবে বলেও জানান সড়ক পরিবহন মন্ত্রী।

ক্ষমতাসীন দলের এই সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, ‘আমি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদযাত্রায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছি। না হয় ঈদের আনন্দ অচিরেই বিষাদে রূপ নিতে পারে। কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে করোনা সংক্রমণের মাত্রা উচ্চ ঝুঁকিতে পৌঁছে যাবে বলে ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।’

‘আসুন আমরা সবাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার নির্দেশনাগুলো প্রতিপালন করি। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিজেদের সুরক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। আমরা ঘরে অবস্থান করি। যার যার কর্মস্থলে অবস্থান করি। এটাই সবার কাছে প্রত্যাশা।’

বুধবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ ও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই তারা অনুসরণ করবে।

১৩ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জননিরাপত্তা বিভাগ ও সড়ক পরিবহন মহাসড়ক বিভাগকে দেওয়া এক পত্রে বলা হয়েছিল, কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ঈদুল আজহার সময় জনগণের যাতায়াত সীমাবদ্ধ রাখা প্রয়োজন বলে সর্বস্তর থেকে মতামত দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১০ জুলাই করোনার সংক্রমণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি
সংক্রমণের বিস্তার রোধে ঈদের ছুটিতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রাম থেকে অন্যান্য স্থানে যাতায়াত বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছিল।

অবশ্য গত ৩০ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে বলা হয়েছিল, ঈদুল আজহার সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে গণপরিবহন ও জনচলাচল অব্যাহত থাকবে।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত