শুক্রবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

একদিনে মৃত্যু ৪৬, শনাক্ত ৩৪৮৯

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে ৩ হাজার ৪৮৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলে দেশে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ২ হাজার ১৯৭ জন। মোট শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ১৩৪ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে আজ বুধবার এই তথ্য জানানো হয়।

নতুন করে মারা যাওয়া ৪৬ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৮ জন, নারী ৮ জন।

ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৭৩৬ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৮০ হাজার ৮৩৮ জন।

গতকাল মঙ্গলবার দেশে করোনায় সংক্রমিত ৩ হাজার ২৭ জন শনাক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। মারা গিয়েছিলেন ৫৫ জন।

ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, ১৫ হাজার ৬৭২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়।

আগের দিন ১৩ হাজার ১৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৮ লাখ ৮৯ হাজার ১৫২টি নমুনা।

দেশে এখন ৭৫টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) করোনা পরীক্ষা হচ্ছে।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। অনলাইন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘আপনার সুরক্ষা আপনার হাতে। জনসমাগম এড়িয়ে চলুন, সাবান–পানি দিয়ে বারবার হাত ধোয়ার নিয়ম মানুন। নিয়মিত ব্যায়াম, ভালো সিনেমা দেখে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখুন।’

প্রসঙ্গত, চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত চার মাসে বিশ্বের ২১৫টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে। দেশে করোনা সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

করোনায় মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত