শনিবার, ৩রা জুলাই, ২০২০ ইং

দেশে করোনায় কেড়ে নিল আরও ১ প্রাণ

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে নতুন করে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় জনে।

বুধবার দুপুরে করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সরাসরি অনলাইন ব্রিফিংয়ে যুক্ত হয়ে তিনি এসব তথ্য দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একজনের ছাড়াও নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন তিনজন। এ নিয়ে সর্বমোট আক্রান্ত হলেন ৫৪।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন, প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় দেশ্ববাসী আশ্বস্ত হয়েছে। আমরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়ন করছি। হাসপাতালে ভেন্টিলেটর বসাচ্ছি। সরকারি হাসপাতালে ৫০০ ভেন্টিলেটর বসানোর কাজ চলছে। তিনশ আনা হচ্ছে। হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

এছাড়া করোনার চিকিৎসার বিভিন্ন সরঞ্জাম বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি নির্দেশনা কিছুটা হলেও মানা হচ্ছে না। ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় যেটা ঘটছে। সবাইকে এই কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। বিশেষ যারা ঢাকা থেকে গ্রামে গেছেন, তারা এই কাজটি বেশি করছেন। তারা ঘরে না থেকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

‘আমরা দেশকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। আপনারা ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন।’

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা ইতিমধ্যে কুর্মিটোলাকে প্রস্তুত করেছি। যেখানে ভেন্টিলেটর থাকবে, আমরা গ্যাস্ট্রোলিভারকে প্রস্তুত করেছি। সেখানে ভেন্টিলেটর ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থাকবে। পাশাপাশি ঢাকা ও ঢাকার বাইরের অনেক হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে। এ সময় তিনি বেসরকারি ডাক্তারদের চেম্বার ও ক্লিনিকগুলোতে নিয়মিত বসার জন্য এবং রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যাঁরা সন্দেহজনক মনে করছেন, তাঁরা টেন্ট করুন। বেশি বেশি করে টেস্ট করুন। নিজেরা সুস্থ থাকুন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন করছি। হাসপাতালগুলোকে আরও প্রস্তুত করছি। কুর্মিটোলাকে প্রস্তুত করেছি। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলো প্রস্তুত করা হচ্ছে। ঢাকার বাইরে ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর মেডিকেলকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। আমরা ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও মাস্কের সংখ্যা বাড়িয়েছি।’

গত ৮ মার্চ প্রথম ঘোষণা দেওয়া হয়, দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। তখন বলা হয়, আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুজন ইতালি থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। তাঁদের কাছ থেকে একজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এ পর্যন্ত দেশে পাঁচজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। গত ১৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত