বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

‘করোনা ভাইরাস,জীবন ও আতঙ্ক’ : মোহাম্মদ শেখ কামালউদ্দিন স্মরণ

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

নভেল করোনাভাইরাস। চীনের উহানে প্রথমে শনাক্ত হওয়া এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে। এতে প্রতিনিয়ত মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। সর্বশেষ করোনা ভাইরাস চলে এসেছে বাংলাদেশেও।এতে আতঙ্ক হইবেন না।

আমাদের চারপাশের লোকজন, এমনকি আমাদের ঘনিষ্ঠতম বন্ধুরাও, কিছু পরিমাণ রহস্যময় এবং অবোধ্য থেকে যান। তাদের স্বভাবে যেসব নিভৃতাবাস আছে তা কখনো উন্মুক্ত করেন না। তাই, যেহেতু আমাদের পক্ষে অন্যদের প্রকৃত জানা অসম্ভব, সেতু অন্যদের যা জানা যায় না সে সম্বন্ধে যদি আমরা যথেষ্ট দীর্ঘক্ষন ধরে ভাবতে থাকি তাহলে তা বিরক্তিকর মনে হবে। কাজেই আমরা এই ব্যাপারটা এড়িয়ে গিয়ে নিজেদের মনোভাব শক্তিশালী করে তুলতে হবে।

দীর্ঘদিন যাবৎ, “করোনা ভাইরাস” নামক একটি ব্যাকটেরিয়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে, এমনকি এই “করোণা, নিরব ঘাতক” মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। বিশেষ করে করোণা যখন প্রথম চীনে বিস্তার করেছে, তখন তার প্রভাব মানুষের উপর কঠোর ভাবে আক্রমণ করেছে। যা মেডিয়ার দৌলতে বহিবিশ্বে প্রচারিত হয়েছে।

করোনা ভাইরাস কি?

করোনাভাইরাস হল একই শ্রেণীভুক্ত ভাইরাস যারা স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখি আক্রান্ত করে। মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস শ্বাসনালী সংক্রমণ ঘটায়। এই সংক্রমণের লক্ষণ মৃদু হতে পারে, অনেকসময় যা সাধারণ ঠাণ্ডাজ্বরের ন্যায় মনে হয় (এছাড়া অন্য কিছুও হতে পারে, যেমন রাইনোভাইরাস), কিছু ক্ষেত্রে তা অন্যান্য মারাত্মক ভাইরাসের জন্য হয়ে থাকে, যেমন সার্স, মার্স এবং কোভিড-১৯। অন্যান্য প্রজাতিতে এই লক্ষণের তারতম্য দেখা যায়। যেমন মুরগির মধ্যে এটা উর্ধ্ব শ্বাসনালী সংক্রমণ ঘটায়, আবার গরু ও শূকরে এটি ডায়রিয়া সৃষ্টি করে। মানবদেহে সৃষ্ট করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়ানোর মত কোনো ভ্যাক্সিন বা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ আজও আবিষ্কৃত হয়নি বলে ধারনা করা হয়।

তাই বলে কি করোনা ভাইরাস এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে না? আমরা কিভাবে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো? তাহলে, একটা সুপারী ও ঘন্টা ঘরের গল্প শুনুন।

একটা সুপারি কাকের ঠোঁটে করে উঁচু এক ঘণ্টাঘরের শিকড়ে উপনীত হয় এবং একটা পাঠালে পড়ে গিয়ে ভয়ঙ্কর পরিণতি থেকে রক্ষা পায়। তখন এটা দেওয়ালের কাছে ভগবানের দয়ায় নাম করে এবং এর উচ্চতা, সৌন্দর্য এবং মহান ঘণ্টাধ্বনি প্রশংসা করে আশ্রয় চায়। বলে চলে “হায়, আমি তো আমার পিতার সবুজ শাখাসমূহের নিচে পড়তে, তারে ঝরেপড়া পাতায় ঢাকা ভূমিতে শুতে পারলাম না, তুমি অন্তত আমাকে ত্যাগ করো না। আমি যখন নিজেকে কাকের নিষ্ঠুর মুখে ছিলাম তখন প্রতিজ্ঞা করছি যে, যদি আমি অব্যাহতি পাই আমার জীবন একটা ছোট্ট গর্তে কাটাবো।” এইসব কথায় দেওয়াল বিচলিত হয়ে পড়ল এবং সুপারিটি যেখানে পড়েছিল সেখানে আশ্রয় দিল। অল্প সময়ের মধ্যেই ভেঙ্গে বের হলঃ এর শিকড় ফাটলের মধ্যে ঢুকে পাথর খন্ড গুলি কে সরিয়ে দিতে লাগলো, এর ডালপালা আকাশের দিকে ধাবিত হলো। তারা খুব শীঘ্রই বাড়িটিকে ছাড়িয়ে গেল এবং এর আঁকাবাঁকা শিকর মোটা হতে লাগল তারা দেওয়ালের চাপ সৃষ্টি করল এবং পুরনো পাথরগুলোকে নিজেদের জায়গায় থেকে সরিয়ে দিতে লাগলো।তখন দেওয়াল অনেক দেরিতে এবং বৃথাই এর ধ্বংসের জন্য বিলাপ করলো এবং খুব শীঘ্রই ধ্বংসস্তুপে পরিণত হল। অতএব, করোনা ভাইরাসের সকল লক্ষণগুলো ফলোআপ দিন এবং কারো কথায় কান না দিয়ে নিজের স্বাস্থ্য সচেতন হোন।

করোনা কি সামাজিক জীব?

না, করোনা কোন সামাজিক জীব নয়,সে একটি ভয়ঙ্কর ব্যাধি! মানুষ যেহেতু স্বভাবত সামাজিক জীব, সামাজিক আদান-প্রদান ও মেলামেশার উপর ক্ষমতা নির্ভর করে। তাই করোনা ভাইরাস মানুষের পরস্পর পরস্পরের সাথে মেলামেশার সময় মানুষের শরীরে সে প্রবেশ করতে পারে, তাই আপনি আপনার বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে মেলামেশার ক্ষেত্রে সর্তকতা অবলম্বন করুন।

বদ কাক ও করোনা ভাইরাস

এক বদ কাকে বেড়ার পিছনে বসে ছিল। তার তীব্র অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেকক্ষণ তাকে আগে-পিছে বহন করল, এবং বলল, “তুমি যদি একটি কুকুরের সাথে এরকম করতে তাহলে তার ধারালো দাঁতের থেকে তুমি তোমার প্রাপ্য পেয়ে যেতে।” এর উত্তরে কাক বলল, “আমি দুর্বলদের ঘৃণা করি এবং শক্তিশালী বশ্যতা স্বীকার করি। আমি জানি, কার ওপর জোর করতে পারি, কার খোশামোদ করতে হবে; এবং তার জন্য বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত আমি বেঁচে থাকব বলে আশা করি। তাহলে আমরা আমাদের মনের দুর্বলতা প্রকাশ করে নীরব ঘাতক “করোনা ভাইরাস” এর কাছে প্রাণ দিতে চাই না। আমরা আমাদের মনোবল বাড়াতে হবে, অন্যদেরকে বলতে হবে যে, করোনা ভাইরাসের মহামারী,পত্রপত্রিকা, টেলিভিশন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখে যেন কেউ আতঙ্কিত না হয় এবং সর্তকতা অবলম্বন করে।

জীবন ও করোনা

মানবের প্রথম ক্ষমতার ধারণা প্রকৃতি সম্মুখীন হওয়া থেকে আসে- আকাশে বিদ্যুতের ঝলকানি, হঠাৎ করে বন্যা, বন্য জন্তুর গতি ও হিংস্রতা। এই ক্ষমতা গুলির জন্য কোন চিন্তা, কোন পরিকল্পনার দরকার নেই- তাদের আকস্মিক আবির্ভাব দিয়ে, তাদের উদারতা দিয়ে, জীবন ও মরণের উপর তাদের ক্ষমতা দিয়ে তারা আমাদের বিহৃল করে। আর আমরা সবসময় এই ধরনের ক্ষমতা অনুকরণ করতে চাইতাম। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা প্রকৃতির গতি ও সর্বোচ্চ শক্তিগুলোকে পূর্ণ সৃষ্ট করেছি, কিন্তু কিছু পারিনি; আমাদের মেশিন গুলির শব্দ করে নড়েচড়ে তারা তাদের প্রয়াস প্রকাশ করে। প্রযুক্তির সব থেকে সুনদির উদ্ভাবন ও যেসব জিনিস সহজে, বিনা চেষ্টায় চলে তাদের প্রশংসা করা থেকে বিরত করতে পারে না। তাই আমাদের জীবন বাঁচাতে “করোনা” কে ভয় করলে হবে না, করোনা কে প্রতিহত করতে, আমাদের মনকে শক্ত করে গড়ে তুলতে হবে, করতে হবে সর্তকতা অবলম্বন।

“করোনা ভাইরাসপ্রতিহত করতে প্রস্তুতি নিন”

একটা ছোট্ট শহর যখন বন্যাকবলিত এবং প্রত্যেকেই নিরাপদ জায়গায় চলে যেতে শুরু করল, তখন একজন লোক কোথাও যেতে রাজি হলো না। সে বলল,”ভগবান বাঁচাবেন, আমার ভগবানে বিশ্বাস আছে।” জল আরও বাড়তে জীপ এসে তাকে উদ্ধার করতে চাইল কিন্তু লোকটি যেতে রাজি হলো না।সে আবার বলল, “আমি ভগবানের বিশ্বাস করি,আমার ভগবান আছেন।” জল যখন আরো বাড়ল তখন সে বাড়ির দোতলায় উঠল, একটি নৌকা এসে তাকে সাহায্য করতে চাইলো কিন্তু তার একই কথা, “ভগবান আমাকে বাঁচাবেন। জল আরো বাড়তে লোকটি ছাদে উঠে গেল।তখন একটি হেলিকপ্টার এসে তাকে উদ্ধার করতে চাইল।কিন্তু তখনও লোকটি বলল,”আমার ভগবানের বিশ্বাস আছে।” জল আরও বাড়তে সে জলের স্রোতে ডুবে মারা গেল। তারপর ঈশ্বরের কাছে পৌঁছানোর পর সে কাতর সুরে ঈশ্বরকে জিজ্ঞেস করলো, “তোমার উপর আমি সম্পূর্ণ বিশ্বাস করেছিলাম, কিন্তু তুমি আমার প্রার্থনা আগ্রাহ্য করে আমায় ডুবে মরতে দিলে কেন?” ঈশ্বর জবাব দিলেন,”তোমাকে বাঁচানোর জন্য জীপ, নৌকা, হেলিকপ্টার কে পাঠিয়েছিল?”

অদৃষ্টবাদী মনোভাবকে জয় করার জন্য কার্যকারণের প্রাকৃতিক নিয়মে বিশ্বাস করা দরকার এবং দায়িত্ব গ্রহণের যোগ্যতা থাকা দরকার। জীবনে কোন কাজ সম্পন্ন করতে হলে দরকার কর্মকুশলতা,প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনা। তাই করোনা ভাইরাস কে প্রতিহত করার জন্য কর্মকৌশল,প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা সঠিকভাবে করুন। নীরব ঘাতক মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস প্রতিহত করুন।

“করোনা ভাইরাস আতঙ্ক”

নদীতে ঢেউ দেখে, পাড়ে নৌকা ডুবিয়ে দিলে হবে কী? যেহেতু,”করোনা ভাইরাস” নামক ব্যাধির বিস্তার ঘটেছে, সেহেতু তাকে প্রতিহত করা সকলের সর্তকতা বাঞ্ছনীয়।

লোকটি যখন এই দৃশ্য দেখেন; তখন তারা মাছ গুলি জীবিত ছিল। তিনি একটি ভুলে নিয়ে জলে ছুড়ে দিলেন। এইভাবে বেশ কয়েকটি কে জলে ছুড়েঁ বাঁচিয়ে দিলেন। তার পিছনে ছিল আরও এক ব্যক্তি, যিনি লোকটির কান্ড বুঝতে পারছিলেন না। তিনি এগিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনি কি করছেন, বেলাভূমিতে শত শত তারা মাছ পড়ে আছে, আপনি কয়টিকে এইভাবে সাহায্য করতে পারেন? এতে কি ক্ষতি বৃদ্ধি পাবে?” সেই ব্যক্তি কোন জবাব দিলেন না, এগিয়ে গিয়ে আরো একটি তারা মাছ তুলে নিয়ে জলে ছুঁড়ে দিলেন এবং বললেন, অন্তত একটির ক্ষেত্রের তফাৎ তো হলো”। তাই, আপনাদেরকে বলবো, “করোনা ভাইরাস কে” আতঙ্ক মনে করবেন না,সবাই সতর্কতার সাথে চলুন ও মনোভাব শক্ত করুন, কারণ, আতঙ্ক আপনার মনের অশান্তির ও অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

লোকের প্রশ্ন?

পৃথিবী বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যেসব জায়গা মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে, সেগুলো দেখলে এখন ভূতুড়ে মনে হয়। প্রতিদিনের চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা, স্কুল বন্ধ, ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা, গণ-জমায়েতের উপর বিধিনিষেধ – এসব কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

একটি রোগ ঠেকানোর ক্ষেত্রে পুরো বিশ্ব যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, সেটি নজিরবিহীন।

কিন্তু এর শেষ কোথায়? মানুষ কবে নাগাদ তাদের স্বাভাবিক দৈনন্দিন জীবনে ফিরতে পারবে?

“করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ”

করোনা ভাইরাসটি নিউমোনিয়া ধরনের অসুস্থতা সৃষ্টি করে এবং তারপর অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসায় সাড়া দেয় না। ভাইরাসটিতে সংক্রমণের লক্ষণ হচ্ছে সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা। এছাড়া জ্বর ও মাথাব্যথাও হতে পারে। এসব সমস্যা কয়েকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের মানুষ, বয়স্ক ও শিশুদের এই ভাইরাসে নিউমোনিয়া বা ব্রঙ্কাইটিসের মতো শ্বাসনালীর সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বিপদ এ কারণে যে, এর নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। বিশেরভাগ ক্ষেত্রে উপসর্গগুলো আপনা আপনি চলে যায়। চিকিৎসকরা ব্যথা বা জ্বরের ওষুধ দিয়ে উপসর্গগুলো থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে পারেন। গরম পানিতে গোসল গলাব্যথা বা কাশি থেকে মুক্তি দিতে সহায়ক হতে পারে।

এ সময় প্রচুর তরল পান করুন, বিশ্রাম নিন এবং পর্যাপ্ত ঘুমান। রোগের উপসর্গগুলো যদি সাধারণ ঠান্ডার তুলনায় বেশি কিছু বলে মনে হয় তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

নতুন করোনা ভাইরাসগুলোর বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য কোনো ভ্যাকসিন নেই। অন্তত এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি। মার্স ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট নতুন করোনা ভাইরাসটির ভ্যাকসিন তৈরিতে কাজ করছে। কিন্তু ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করে ভ্যাকসিন নিয়ে আসতে এক বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।

আপাতত প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হলো, যারা ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন বা এই ভাইরাস বহন করছেন তাদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা। হাত দিয়ে নাক-মুখ স্পর্শ না করা, সবসময় সাবান দিয়ে হাতে ধোয়া; অন্তত ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে।

সচেতন থাকাটাই মূল বিষয়। হাঁচি ও কাশি দেওয়ার সময় নাক ও মুখ ঢেকে রাখুন। বাইরে বেরোনোর সময় মাস্ক ব্যবহার করুন।

পোষা প্রাণি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে এবং সংক্রমণ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। অনেক সময় এটি মানুষের জন্যও প্রাণঘাতী রোগের কারণ হতে পারে। তাই আতঙ্ক নয়, সর্তকতা অবলম্বন করুন। সকলেই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

___মোহাম্মদ শেখ কামালউদ্দিন স্মরণ

লেখক ও কলামিস্ট,অনলাইন নিউজ পোটাল, “আমাদের সমাজ”

Print Friendly, PDF & Email

মতামত