রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

করোনা রোগীর সংস্পর্শে ঢামেকের ৪ চিকিৎসক হোম কোয়ারেন্টাইনে

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) চার চিকিৎসক হোম কোয়ারেনটাইনে আছে বলে জানিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ ডা. খান মো. আবুল কামাল আজাদ।

বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে মেডিকেল কলেজের সভাকক্ষে অধ্যক্ষসহ সবগুলো বিভাগের বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিনের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘ দেড় ঘণ্টার বৈঠকে করোনাভাইরাস নিয়ে নানারকম আলোচনা হয়।

বৈঠকে আবুল কামাল আজাদ বলেন, ‘বাংলাদেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পরপরই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন নিউমোনিয়া, জ্বর, ঠান্ডা-কাশি নিয়ে প্রচুর রোগী আসছে। এদের মধ্যে তিন থেকে চার জন রোগীকে আমাদের চিকিৎসকরা তাদের সংস্পর্শে গিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন। লক্ষণ অনুযায়ী তাদেরকে সরকারের বরাদ্দ দেওয়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছে। সেখানে গিয়ে পরীক্ষার পর রোগীরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।’

অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘ঢামেক হাসপাতালে আসার পর তাদের যারা চিকিৎসা দিয়েছেন এই চারজন ডাক্তারকে হোম কোয়ারেনটাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চারজনই ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক।’

অধ্যক্ষ ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ডাক্তারদের যদি প্রটেকশন না থাকে, তারা নিজেরাই যদি রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে হোম কোয়ারেন্টানে থাকে, তাহলে চিকিৎসা দেবে কারা। ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে সরকারের বরাদ্দ হাসপাতালে গিয়ে করনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরকম কয়েকজন রোগী। সেইসব রোগীদের যারা চিকিৎসা দিয়েছিল এরকম চারজন চিকিৎসককে হোম কোয়ারেন্টানে রাখা হয়েছে।’

অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘যেকোনো প্রতিকূল পরিবেশে চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা দিবে এরকম শপথ নিয়ে চিকিৎসা পেশায় এসেছে। আগে চিকিৎসকদের প্রটেকশন ব্যবস্থা দরকার। কারণ তারাই যদি অসুস্থ হয়ে পরে চিকিৎসা দেবে কারা।’

তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের আলোচনায় ছিল সামান্য জ্বর সর্দি-কাশি নিয়ে কোনো রোগী হাসপাতালে আসার প্রয়োজন নেই। বাসায় হোম কোয়ারেনটাইনে থাকতে হবে। এরকমই প্রচার করতে হবে। তাছাড়া জ্বর, সর্দি-কাশির কারণে কোনো রোগীর যদি শ্বাসকষ্ট হয়, তাহলে দ্রুত সরকারি বরাদ্দকৃত হাসপাতালে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

Print Friendly, PDF & Email

মতামত