শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

চীনে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে দূতাবাস, জানালেন রাষ্ট্রদূত

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

চীনে করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। আজ শনিবার পর্যন্ত এই ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ৭২৪ জন। এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার মানুষের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে চীনে বাংলাদেশি দূতাবাস কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সে সম্পর্কে জানিয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব-উজ-জামান।

আজ শনিবার এক ভিডিও বার্তায় চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের এই রাষ্ট্রদূত জানান, ‘উহান সিটি থেকে প্রথম যে ইভাকুয়েশন হলো সেখানে আমরা অত্যন্ত সাফল্যজনকভাবে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। আমরা এখানকার কো-অর্ডিনেশন শেষ করেছি। তারপর আমরা একটা ট্রান্সপোর্টেশনের ব্যবস্থা করেছি।’

তিনি বলেন, ‘এটা একটা হিউজ চ্যালেঞ্জ- ২২টি সেন্টার ছিল, সেগুলোতে লোকাল কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করা, ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ করা, উপর্যুপুরি আমাদের ফরেন মিনিস্টার থেকে অ্যাপ্রুভাল নেওয়া, লোকাল গর্ভমেন্টের কাছ থেকে অ্যাপ্রুভাল নেওয়া সেটা একটা বড় ধরনের চ্যালঞ্জ ছিল।’

বিমান হ্যান্ডেলিংয়ের ব্যাপারেও সাহায্য সহযোগিতা করেছেন জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ইমিগ্রেশনের সঙ্গে আমাদের চাইনিজ ইমিগ্রেশনের সবসময় যোগাযোগ ছিল।’

তিনি বলেন, ‘আরেকটা চ্যালেঞ্জ ছিল কিছু পাসপোর্ট ইমিগ্রেশন অথরিটির কাছে জমা হচ্ছিল। প্রায় ৩১টি। সেটাও আমরা ছুটির দিনে ফোন করে ২৫টি মতো পাসপোর্ট উদ্ধার করেছি। এবং আল্লাহর রহমতে ৩১২ জনের মতো তারা যেতে পেরেছে। এ ছাড়া তাদের ফ্লাইট না যাওয়া পর্যন্ত সব ধরনের সাপোর্ট আমরা দিয়েছি।’

মাহবুব-উজ-জামান বলেন, ‘এখন ইচানে যে ১৭১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আছেন, তারা উহান সিটি থেকে বাস ভ্রমণে ৪ ঘণ্টা দূরে অবস্থিত। উহান, ইচান এগুলো সব এখন লকআউটের আন্ডারে আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অ্যাম্বাসি নিজে থেকেই ইভাকুয়েশন প্রসেস ইমপ্লিমেন্ট করতে পারে না। এটা একটা জয়েন্ট কনসালটেটিভ মেকানিজম আছে। এটা গ্রাউন্ড সিচ্যুয়েশন বা গ্রাউন্ড রিয়েলিটির ওপর নির্ভর করে। কেস বাই কেস এটা হ্যান্ডেল করতে হয়।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকতে চীন সরকার সর্বোতভাবে চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ সরকার তার পাশে রয়েছে বলেও জানান বলে জানান মাহবুব-উজ-জামান।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত