রবিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

বিএনপির নির্বাচন আন্দোলনের জন্য: তাপস

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

সেবার জন্য নয়, আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচন করছেন বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশলাইনসের উল্টো দিকে নির্বাচনী প্রচারকালে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির মেয়রপ্রার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগের সমালোচনা করে তাপস বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বীরা যেসব কথা বলছেন, তা অসত্য। ঢাকার জনগণকে সেবার জন্য নয়; বরং অভিযোগের ছুঁতোয় আন্দোলন করার জন্য তারা এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।

শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আমরা চাই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ যাতে কোনোভাবে নষ্ট না হয়। কোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মাধ্যমে কেউ যাতে পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে না পারে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে আমি অনুরোধ করব, কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ব্যবস্থা নিন। আমি ঢাকাবাসীর প্রতি আহ্বান করব, তারা যাতে সজাগ থাকেন।’ এ সময় নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে ১ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে রায় প্রয়োগের মাধ্যমে এর জবাব দিতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তাপস।

জনগণ ভোট দিতে উন্মুখ উল্লেখ করে ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘ঢাকাবাসী উন্মুখ হয়ে, আগ্রহ সহকারে অপেক্ষা করছেন। উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী কার্যক্রম চলছে। আমরা গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছি। ঢাকার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত আমরা যেখানেই গণসংযোগ করছি না কেন, সব জায়গায় ঢাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া আমরা পাচ্ছি।’

তাপস বলেন, ‘ঢাকাবাসীর উন্নয়নের জন্য আমরা যে রূপরেখা দিয়েছি, তারা তা সাদরে গ্রহণ করেছে। এর বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকাবাসী নৌকায় ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আমাকে তাদের সেবক হিসেবে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে জয়যুক্ত করবেন।’

প্রচারের সময় ওই এলাকার জনগণ এবং বিভিন্ন দোকান মালিক ও কর্মচারীদের হাতে লিফলেট দেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। গণসংযোগকালে তিনি কেন যোগ্য তা জনগণের কাছে তুলে ধরেন তাপস। এ ছাড়া আধুনিক ঢাকা গড়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন। এবারই প্রথম ঢাকার দুই সিটিতে ইভিএমে ভোট হচ্ছে। ঢাকা দক্ষিণে তাপসের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ইশরাক হোসেন।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত