বুধবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

গাড়ি বেশি কিনলে অসুবিধা পুলিশেরই : প্রধানমন্ত্রী

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

সরকারি গাড়ি ব্যবহার করার প্রাধিকার যাদের নেই সেসব পুলিশদের ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার ব্যবস্থা করে দিতে কোনো অসুবিধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, গাড়ি যদি বেশি কেনে অসুবিধা পুলিশেরই হবে, কারণ ট্রাফিক কন্ট্রোল তাদেরই করতে হবে।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের জন্য গাড়ি আসলে এটা তো তারা নিজের টাকা দিয়েই কিনবে। শুধু সুদের হারটা কম, ১ পারসেন্ট সার্ভিস চার্জ দিয়ে কিনতে হয়। ১ পারসেন্ট দিতে হবে, আর সেটা মেনটেইনেন্সের জন্য একটা টাকা দেওয়া হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা হলো শুধু তাদের জন্য যারা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করার সুযোগ পান না বা যাদের প্রাধিকারটা নাই। তাদের জন্যই এটা দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে পুলিশেও যারা এ ধরনের গাড়ির সুবিধা পাবেন না, তাদের জন্য আমরা গাড়ির ব্যবস্থা করে দিতে পারবো। সেটা করে দিতে অসুবিধা নেই। যদিও এটাতে অনেকের আপত্তি থাকতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি গাড়ি যদি বেশি কেনে আমাদের অসুবিধা নেই। অসুবিধা পুলিশেরই হবে, কারণ ট্রাফিক কন্ট্রোল তাদেরই করতে হবে। রাস্তায় যত গাড়ি চলবে তাদেরই সমস্যা। সেটা আপনারা বুঝে দেখবেন। কারণ গাড়ি কিনতে দিয়ে অলরেডি ট্রাফিক জ্যাম কিন্তু বেড়ে যাচ্ছে।’

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে বড় দায়িত্বটা হলো পুলিশ বাহিনীর ওপর-এ কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমি পুলিশ বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই যে, আপনারা সেটা করতে পেরেছেন। আপনার যদি এটা না করতে পারতেন, তাহলে হয়তো অর্থনৈতিক এই উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাটা করা সম্ভব হতো না।’

‘আজকে আমাদের অর্থনীতি যত মজবুত হবে, যত শক্তিশালী হবে, ততই কিন্তু আমরা সকলের উন্নতি করতে পারব।’

পুলিশের ট্রেনিং অব্যাহত রাখা দরকার জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পুলিশের ট্রেনিং শুধু ঢোকার (চাকরিতে যোগদানের সময়) সময় যে একটা ট্রেনিং হলো, সেটা না-প্রমোশনের আগে ও মাঝে মাঝেও এসব ট্রেনিংগুলো অব্যাহত থাকা দরকার।’

ডিজিটাল যুগে অপরাধের ধরনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ট্রেনিং করা জরুরি বলেও জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ডিজিটাল যুগ বা যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে ক্রাইমের ধরনও কিন্তু পাল্টায়, এটাও বাস্তবতা। কোন ধরনের অপরাধ হবে, সেই অপরাধ প্রবণতা বা অপরাধ করা-এর প্রক্রিয়াটাও কিন্তু বদলাতে থাকে। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থারও ট্রেনিও হওয়া দরকার। প্রয়োজন মতো সেই সমস্ত ট্রেনিং করা একান্ত জরুরি। সেই কারণেই কিন্তু আমরা ট্রেনিংয়ের ওপর সবচেয়ে গুরুত্ব দেই।’

Print Friendly, PDF & Email

মতামত