শুক্রবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

সাকিবের শাস্তি কমাতে আইনি পরামর্শ নেবে বিসিবি

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

সাকিব আল হাসানের শাস্তি কমাতে আইসিসির কাছে আপিলের জন্য আইনি পরামর্শ নেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।বৃহম্পতিবার দুপুরে প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন সাংবাদকিদের এ তথ্য দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সাকিবের বিষয়ে বিসিবির করণীয় সীমিত। কারণ, সে ঘটনা স্বীকার করেছে। ফলে একটা তালিকার মধ্যে চলে গেছে ও। তবুও আমরা এটা দেখবো। যথাসম্ভব চেষ্টা করবেন তারা। যদি কোনো সুযোগ থেকে থাকে, অবশ্যই সেটি কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে বোর্ড। আইনি বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করব। ইতিমধ্যে আমাদের আইন বিভাগের (লিগ্যাল কমিটি) সঙ্গে কথা বলেছি। এ বিষয়ে কোনো সুযোগ থাকলে ওয়ার্ক আউট করব। প্রয়োজনে লিগ্যাল অ্যাডভাইজরি নিয়োগ দেব।

তিনি বলেন, সাকিবের শাস্তি নিশ্চিত কমবে এটা বলা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রথমে সবার সঙ্গে যৌক্তিক আলোচনা করব আমরা।এর পর কোনো পথ খোলা থাকলে সেটি অনুসরণ করব। এ মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

তিনি জানিয়েছেন, সাকিবের ইস্যুতে বোর্ডের করণীয় খুব সীমিত হলেও, যথাসম্ভব চেষ্টা করবেন তারা। যদি কোনো সুযোগ থেকে থাকে, অবশ্যই সেটি কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে বোর্ড।

উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘দেখুন এ বিষয়ে বিসিবির করণীয় খুবই সীমিত। যেহেতু সাকিব এই বিষয়টি স্বীকার করে একটি চুক্তির মধ্যে চলে গেছে। তারপরও আমরা দেখবো। আইনি বিষয়গুলো নিয়ে কীভাবে কাজ করা যায়। এ বিষয়ে কোনো সুযোগ আছে কিনা, সেটা আমরা ওয়ার্ক আউট করব।

এসময় বিসিবির প্রধান নির্বাহী এটিও মনে করিয়ে দেন যে, লিগ্যাল কমিটির সঙ্গে কথা বলা মানেই এমন না যে নিশ্চিতভাবে শাস্তি কমে যাবে সাকিবের। বরং এ বিষয়ে যৌক্তিক আলোচনার পর যদি কোনো পথ মেলে, সেটিই অনুসরণ করবে বিসিবি।

প্রধান নির্বাহী বলেন, ‘এই মুহূর্তে এ বিষয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়। আগে আগে হয়ে যাবে মন্তব্য। মাত্র দুদিন হলো এ বিষয়ে আমরা একটি সিদ্ধান্ত জানতে পেরেছি। এটা নীতিগত সিদ্ধান্ত। এ বিষয়গুলো নিয়ে বোর্ডে আলোচনা করতে হবে। কতটুকু করা যায় বা কতটুকু করার সুযোগ রয়েছে এটা নিয়ে আলোচনা করতে হবে বোর্ড সভায়। যেহেতু এটা আইনি প্রক্রিয়া। এটা জেনে তারপরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

কথা ওঠে ভারত সফরে টেস্টের নতুন অধিনায়ক মুমিনুল হক এবং টি-টোয়েন্টিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাপারে। জানতে চাওয়া হয়, এ দুজনকেই দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্ব দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কি না বোর্ডের?

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দেখেন সাকিব আমাদের টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ছিল। আমাদের সামনে ভারত সফর আছে, দল চলেও গেছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দ্রুত আলোচনা দরকার ছিল। পরবর্তীতে এটা বোর্ডে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন রাখায় সাকিবকে সবধরণের ক্রিকেটে এক বছর নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। যদিও প্রথমে নিষেধাজ্ঞাটা ছিল দুই বছর। তবে তিনি দায় স্বীকার করে নেয়ায় এক বছর শিথিল হয়। এসময়ে ফের অপরাধ করলে আগের শাস্তি বহাল থাকবে তার।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত