সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

আজারবাইজান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানে চারদিনের সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে পৌঁছেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১০ মিনিটে বাকু হায়দার আলিয়েভ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে অবতরণ করে।

পরে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রা সহকারে বাকুর হোটেল হিল্টনে নিয়ে যাওয়া হয়। আজারবাইজান সফরকালে তিনি এখানেই অবস্থান করবেন।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় বাকুর উদ্দেশে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, অন্যান্য সদস্য দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ন্যাম সম্মেলনে যোগ দেবেন। এর মধ্যে বাকু কংগ্রেস সেন্টারে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। অনুষ্ঠানস্থলে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকার ন্যাম নেতাদের অভ্যর্থনা জানাবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রের লাঞ্চন হলে পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে প্রতিনিধি দলের প্রধানদের জন্য দেওয়া ওয়ার্কিং লাঞ্চনে যোগ নেবেন।

সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হেয়দার আলিয়েভ সেন্টারে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনায় অংশ নেবেন।

শনিবার প্রধানমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন, প্রতিনিধি দলের প্রধানদের সঙ্গে ওয়ার্কিং লাঞ্চন ও সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। তিনি হিলটন বাকুতে একইসঙ্গে আজারবাইজানের দূত হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত তুরস্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া নৈজভোজেও অংশ নেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ন্যাম সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আজারবাইজানে চার দিনের সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী রোববার স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় বাকু হায়দার আলিয়েভ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে দেশের পথে রওনা হবেন। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে ফ্লাইটটির।

ন্যাম বিশ্বের ১২০টি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি ফোরাম, যা বড় কোনো পাওয়ার ব্লকের সঙ্গে বা বিপক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত নয়। জাতিসংঘের পর এটি বিশ্বব্যাপী রাষ্ট্রগুলোর বৃহত্তম গ্রুপিং।

ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু ও সাবেক যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ টিটোর উদ্যোগে ১৯৫৫ সালে বানডং সম্মেলনে সম্মত নীতিমালা প্রণয়নের পর ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়া বেলগ্রেডে ন্যাম প্রতিষ্ঠিত হয়। ভেনেজুয়েলার মারগারিটা দ্বীপে ২০১৬ সালে ১৭তম ন্যাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো হলেন চলতি ন্যাম সম্মেলনের চেয়ারপারসন। বাসস।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত