শনিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

এ সরকারের আমলেই তিস্তা চুক্তি: কাদের

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

বর্তমান সরকারের আমলেই তিস্তা চুক্তি হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, গঙ্গা চুক্তি শেখ হাসিনার আমলে হয়েছে। তিস্তা চুক্তিও এই সরকারের আমলেই হবে। এ বিষয়ে সরকারের সদিচ্ছার কোনো অভাব নেই।

সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর নিয়ে বিএনপির সমালোচনার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। দেওয়া নেওয়া সম্পর্ক বন্ধুত্বে থাকে। আমরাও অনেক কিছু এনেছি। সব দিয়ে ফেলেছি বিষয়টা এমন নয়। আমাদের পাওয়ার বিষয়টা অনেক বেশি। সীমান্ত সমস্যার সমাধান আমরাই করেছি। যারা অভিযোগ করেন, তারা তা করতে পারেনি। ৬৮ বছর পর এ সমস্যার সমাধান হয়েছে। পৃথিবীর কোনো দেশে ছিটমহল সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হয়নি। সমুদ্রসীমার ব্যাপারে ভারত আপিল করতে পারত, তারা তা করেনি। সম্পর্ক ভালো থাকলে অনেক কিছুই পাওয়া যায়। বৈরিতা করে কিছু পাওয়া যায় না।’

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের চুক্তি আড়াল করতেই সম্রাটকে গ্রেফতার বিএরপির এমন দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা হাস্যকর মনে হয় না? দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সম্পর্ক কী? গ্রেফতারে কেন বিলম্ব হয়েছে তা র‌্যাবের ডিজি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। বাংলাদেশে শেষ পর্যন্ত কেউ রেহাই পায় না। পালিয়ে থাকার মতো অবস্থা সৃষ্টি করা যায়। তবে সেটি ফলপ্রসু হয় না, এক পর্যায় ধরা পড়বেই। সে (সম্রাট) বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। তাই সীমান্তের কাছাকাছি একটি বাড়িতে লুকিয়ে ছিল।’

চলমান দুর্নীতি বিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অভিযান চলবে। ১৫ দিনেই কি সব কমপ্লিট করব? আরো অনেক কিছুই দেখার আছে। কাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, কেন চলছে প্রধানমন্ত্রী নিজেই তার ব্যাখ্যা দিয়েছে। এখানে লুকোচুরির কিছু নেই। আমরা যা বলছি মুখে বলছি না, একশনে তা প্রমাণ করেছি। যারা দুর্নীতি করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় কোনো সংকোচ নেই।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হলে কেউ রেহাই পাবে না। অভিযুক্ত করতে হলে অভিযোগ পেতে হবে। রাশেদ খান মেননও একটি ক্লাবের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান। তাই বলে কি তাকে ক্যাসিনো ব্যবসায় সম্পৃক্ত বলা যাবে।’

যুবলীগ নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাদের সম্মেলন হচ্ছে। চারটি সহযোগী সংগঠনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। নভেম্বরের মধ্যেই সম্মেলনের কাজ শেষ করতে চিঠি দিয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নেত্রী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। তার কাছে সময় চাওয়া হচ্ছে। যুবলীগের কাউন্সিলরা ঠিক করবে তারা কাদের নেতৃত্বে আনবেন। পার্টির সভাপতি ফাইনাল অথরিটি। তিনি পরিবর্তন করতে চাইলে অবশ্যই করবেন।’

যুবলীগের চেয়ারম্যানের ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘তিনি অপরাধী হলে সেটি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণ না পেয়ে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। সরকারের উচ্চাসন থেকে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। যা হয়েছে সেটি দেখুন। ভবিষ্যতে কি হবে তাও দেখতে থাকুন।’

Print Friendly, PDF & Email

মতামত