রবিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

ক্যাসিনো আইনি কাঠামোতে আনার কোনো সিদ্ধান্ত নেই : ওবায়দুল কাদের

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

ক্যাসিনো আইনি কাঠামোর মধ্যে আনার বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কথা বলেন।

গত কয়েক দিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রাজধানীর ক্রীড়া ক্লাবগুলোতে অভিযান চালিয়ে ক্যাসিনোর সরঞ্জাম উদ্ধার করছে। এসব ক্লাবের সাথে ক্ষমতাসীন দল ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের জড়িত থাকার খবর পাওয়া যাচ্ছে, গ্রেফতারও হচ্ছেন কেউ কেউ।

সরকার ক্যাসিনো একেবারে বন্ধ করে দেবে, নাকি আইনি কাঠামোর মধ্যে রাখবে? -জনতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ক্যাসিনো বিষয়ে এখন টার্বুলেন্স (তোলপাড়) চলছে। এ সময়ে এটা নীতিমালার মধ্যে এনে চালু করা হবে, নাকি একেবারেই আইডিয়াটা বাদ দেয়া হবে -এ নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে কোনো আলাপ-আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি। কাজেই এ বিষয়ে এ মুহূর্তে মন্তব্য করতে চাই না।’

এ সময় বিদেশি পর্যটকের স্বার্থে ক্যাসিনো ব্যবসা বাংলাদেশে বৈধ করা হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাত্রই বিষয়টি সকলের সামনে এসেছে। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে এখনি কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি।

নেতাদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কথা শোনা যাচ্ছে -এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘বাইরে যাওয়ার বিষয়ে কতজনের বিরুদ্ধে নির্দেশনা রয়েছে আমি জানি না। সার্ভেল্যান্সে (নজরদারি) আছে অনেকে, সেটা আমি জানি। সংখ্যাটা আমি ঠিক জানি না।’

আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের লোকজন নজরদারিতে আছে কি-না? -জানতে চাইলে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘সব তো আওয়ামী লীগের লোকজনই। আগে কোন দল ছিল এটা বলে তো লাভ নেই। আমি আমার দলে নিলাম কেন? এখন সে আমার দলের পরিচয়ই ব্যবহার করছে। কাজেই আমি ঘর থেকেই অভিযান শুরু করেছি।’

মন্ত্রী জানান, চলমান অভিযানে ধরা পরার ভয়ে কতজন বিদেশে পালিয়ে গেছে এবং কতজনের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে তা কিছুই জানেন না তিনি। তবে বিশাল সংখ্যক নেতাকর্মী গোয়েন্দাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, ‘যেসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান তারা আগে কোন দলে ছিলো তা দেখার সময় এখন না। তারা আগে অন্য দলেও থাকলেও এখন আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করছে। তিনি বা তারা অপরাধ করেছে বলে তাদেরই ধরা হচ্ছে।’

Print Friendly, PDF & Email

মতামত