রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

ছাত্রদলের ফরম বিক্রি ও বিক্ষুব্ধদের কর্মসূচি স্থগিত

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

কাউন্সিল উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মনোনয়ন ফরম বিক্রি স্থগিত করেছে বিএনপি। আর এ সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে কাউন্সিলবিরোধী নেতারাও তাদের আন্দোলন কর্মসূচি শনিবার পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছে।

শুক্রবার (২৮ জুন) সকালে ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল হাসান হাওলাদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে, সকাল সাড়ে ১০টায় নয়াপল্টন কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ছাত্রদলের মনোনয়ন ফরম বিক্রিসহ কাউন্সিলের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

দলীয় সূত্রমতে, শনিবার (২৯ জুন) বিকেলে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ছাত্রদলের সংকট নিরসনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সে পর্যন্ত বিক্ষুব্ধদের কর্মসূচি এবং ছাত্রদলের মনোনয়ন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির সহসভাপতি সদ্য বহিষ্কৃত এজমল হোসেন পাইলট গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শনিবারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে চলমান সমস্যার সমাধান না হলে রোববার (৩০ জুন) সকাল থেকে টানা কর্মসূচি পালন করবেন তারা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্টদেরকেই নিতে হবে।

এদিকে ছাত্রদলের কাউন্সিলের পক্ষে থাকা ছাত্রনেতারা শুক্রবার সকাল থেকেই নয়াপল্টন কার্যালয়ে অবস্থান করছেন। সকাল ১১টায় কার্যালয়ের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকশ ছাত্রনেতা কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে বসে আছেন। কেউ কেউ রুহুল কবির রিজভীর রুমে গিয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন।

সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের শীর্ষ নেতা সাইফ মাহমুদ জুয়েলের নেতৃত্বে ৩০/৪০ জন নেতাকর্মী কাকরাইল নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে মিছিল নিয়ে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যান। তারা কাউন্সিলের সাফল্য কামনা করে মিছিল দেন। এ সময় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা ছাত্রনেতারা তাদের সঙ্গে যোগ দেন।

বয়সসীমা প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্রদলের একাংশের নেতারা গত ১১ জুন থেকে দফায় দফায় নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে। বিক্ষোভের প্রথম দিনে তারা বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তালা লাগিয়ে দেয়। আন্দোলন চলাকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটানো হয়।

বিক্ষুব্ধদের আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে ছাত্রদলের ১২ জনকে বহিষ্কার করে বিএনপি। এরপর থেকে আন্দোলন আরও বেগবান হয়। তারপর থেকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় টেলিবৈঠক করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান দিতে পারেননি তিনি।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত