সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

বঙ্গবন্ধু ও জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন এ কে খন্দকার

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

নিজের লেখা ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ বইয়ের একটি পৃষ্ঠায় ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ ওঠার পাঁচবছর পর বিতর্কিত সেই অংশটি বাদ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের উপ- সর্বাধিনায়ক ও সাবেক মন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার (বীরউত্তম)। পাশাপাশি নিজের ভুলের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।j

শনিবার (১ জুন) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বইয়ের বিতর্কিত অংশটি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। সেই সঙ্গে বইয়ে উল্লিখিত অসত্য তথ্যের জন্য তিনি ক্ষমা চান।

এ কে খন্দকার বলেন, “আমার বইয়ে ‘জয় পাকিস্তান’ এই অংশটুকুর জন্য দেশপ্রেমিক অনেকেই কষ্ট পেয়েছেন। এই অংশটুকু আমার বইতে যেভাবেই আসুক না কেন এ অসত্য তথ্যের দায়ভার আমার এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে কখনোই ‘জয় পাকিস্তান’ শব্দ দুটি বলেননি।”

তিনি বলেন, “তাই আমি আমার বইয়ের ৩২ পৃষ্ঠায় উল্লেখিত বিশেষ অংশ সম্বলিত পুরো অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করে নিচ্ছি এবং একই সাথে জাতির কাছে ও বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।”

এ কে খন্দকারের ‘১৯৭১: ভেতর বাইরে’ বইটি ২০১৪ সালের আগস্টে প্রথমা প্রকাশনী থেকে বের হয়। ওই বইয়ের ৩২ পৃষ্ঠায় এ কে খন্দকার উল্লেখ করেন, ৭ মার্চ ভাষণের শেষে শেখ মুজিবুর রহমান ‘জয় পাকিস্তান’ বলেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ওই তথ্যের জন্য এ কে খন্দকারের বইটি সমালোচনার মুখে পড়ে। ওই সময় বইটি নিষিদ্ধ করারও দাবি ওঠে। বইটিতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।

এ কে খন্দকার অনুতাপ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই অংশটুকুর জন্য দেশপ্রেমিক অনেকেই কষ্ট পেয়েছেন বলে আমি বিশ্বাস করি। এই তথ্যটুকু যেভাবেই আমার বইয়ে আসুক না কেন এ অসত্য তথ্যের দায়ভার আমার। বঙ্গবন্ধু তার ৭ মার্চের ভাষণে কখনোই ‘জয় পাকিস্তান’ শব্দটি বলেননি। তাই আমি আমার বইয়ের ৩২ নম্বর পৃষ্ঠার উল্লেখিত বিশেষ অংশযুক্ত পুরো অনুচ্ছেদটুকু প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। একইসঙ্গ আমি জাতির কাছে ও বঙ্গবন্ধুর বিদেহি আত্মার কাছে ক্ষমা চাইছি।’

Print Friendly, PDF & Email

মতামত