রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

যখন সাকিব-মাহমুদউল্লাহরা থাকবেন না…

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

নিউজগার্ডেনবিডডটকম:  মাহমুদউল্লাহর কথা শুনে জেমসের বিখ্যাত ‘বাবা’ গানটা মনে পড়ে, ‘…যখন আমি থাকব না, কী করবি রে বোকা!’

চোটে পড়ে সাকিব আল হাসান নেই বলে তিনি আবার অধিনায়ক। অধিনায়কত্ব পাওয়ার রোমাঞ্চের চেয়ে মাহমুদউল্লাহর বেশি অনুভব হচ্ছে সাকিবের মতো একজন বিশ্বমানের খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি। সাকিব যে একের ভেতর চার! ভালো ব্যাটসম্যান, ভালো বোলার, ভালো ফিল্ডার ও ভালো অধিনায়ক! এমন একজন খেলোয়াড়ের না থাকাটা অবশ্যই বিরাট ধাক্কা, আজ হ্যামিল্টনে মাহমুদউল্লাহ সেটিই বললেন সংবাদমাধ্যমকে, ‘সবাই জানি সাকিব কতটা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় আমাদের দলে। সে চোটে পড়া মানে দলের জন্য বড় এক ধাক্কা। সবাই জানি তার সামর্থ্য সম্পর্কে। সে থাকলে দলের ভারসাম্য অনেক ভালো থাকে, না থাকলে কিছুটা গড় মিল হয়।’

সেই গড় মিলটা এখন বাংলাদেশ দলেও হচ্ছে। নিউজিল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে ভালো একটা একাদশ সাজাতে অনেক ভাবতে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। তবে হ্যামিল্টন টেস্টের আগে মাহমুদউল্লাহ একটা অমোঘ বাস্তবতাও তুলে ধরলেন। আজ সাকিব নেই, পরের সিরিজ বা টুর্নামেন্টে হয়তো থাকবেন। কিন্তু চিরটা কাল তো আর বাংলাদেশ দলে তিনি থাকবেন না। সময়ের সঙ্গে একটা সময় তাঁকে অবসর নিতে হবে। ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে হবে পঞ্চপাণ্ডবের সবাইকেই। একে একে বিদায় নেবেন মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশ ক্রিকেটকে একটা উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার কারিগরেরা বিদায় নিলে দলটার কী হবে?

মাহমুদউল্লাহ তাই বলছেন, সাকিবের অনুপস্থিতিকে কাজে লাগাতে হবে অন্যদের। বড় শূন্যতা কীভাবে পূরণ করতে হয়, সেটি শিখতে হবে এখন থেকেই, ‘যেটা বিশ্বাস করি ও সতীর্থদের বলি, এটা আমাদের জন্য বড় সুযোগও। সুযোগটা কীভাবে নিতে পারি, সেটাই চিন্তা করা উচিত। একটা সময় আমরা অনেকেই থাকব না, অবসরে যেতে হবে। তখন এটাই সহায়তা করবে (শূন্যস্থান পূরণের অভ্যাস)। তারা ওই দায়িত্ব নিয়ে যেন ভালো করতে পারে। এটা দলের জন্য যেমন, নিজেদের জন্যও ভালো।’

Print Friendly, PDF & Email

মতামত