শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

নাইকো দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি ৩ জানুয়ারি

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

নিউজ গার্ডেন বিডিডট কম: নাইকো দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী বছরের ৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার বেলা ১২টায় তাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯নং বিশেষ জজ আদালতে শুনানি শেষে বিচারক মাহমুদুল কবীর এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে আজ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের পক্ষে আংশিক শুনানি হয়েছে। এ সময় আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে সময় আবেদন করেন মওদুদ আহমদ। তার এ আবেদনে সমর্থন দেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

এর পর উভয়পক্ষের শুনানি শেষে পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন আদালত।

কারাগারের ভেতর আদালতের সংকুচিত পরিবেশ ও আইনজীবীদের বসার পর্যাপ্ত স্থান না থাকায় অস্বস্তি প্রকাশ করেন খালেদা জিয়া।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে এ কারাগারেই বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া।

অসুস্থ খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে গত সপ্তাহে কারাগারে ফিরিয়ে আনা হয়।

নাইকো দুর্নীতি মামলা সূত্রে জানা যায়, কানাডীয় প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন।

মামলা করার পরের বছর ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামালউদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সাংসদ এমএএইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল টাস্ট দুর্নীতি মামলায় যথাক্রমে ১০ ও ৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন খালেদা জিয়া।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার পর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা হয়।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত