মঙ্গলবার, ২৩শে জুলাই, ২০১৯ ইং

কাজের গুনগতমান সঠিক রাখার ক্ষেত্রে গণপূর্ত অধিদপ্তর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়

নিউজগার্ডেনবিডিডটকম: 

রফিকুল ইসলাম সবুজ, নিউজগার্ডেনবিডিডটকম:
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ গণপূর্ত অধিদপ্তর বাংলাদেশে নির্মান অঙ্গনের পথিকৃত। প্রায় দুই শত বছর ধরে পিডব্লিউডি দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় মান নির্ধারণ করে আসছে। এটি সরকারী নির্মান প্রকল্প বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। এছাড়া অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে স্বশাসিত সংস্থাগুলোর প্রকল্প বাস্তবায়নেও এর ভূমিকা রয়েছে। গণপূর্ত বিভাগের একটি দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল রয়েছে, যাদের মধ্যে আছেন সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা। এছাড়া স্থাপত্য অধিদপ্তরের স্থপতিরাও তাদের সঙ্গে পাশাপাশি কাজ করে থাকেন। বছরের পর বছর ধরে গড়ে উঠা পেশাদারিত্ব ও কাজের সুউচ্চ মান পিডব্লিউডির অভিজ্ঞতাকে আরো সমৃদ্ধ করেছে। তাই যেকোনো নির্মান প্রকল্পের জন্য পিডব্লিউডি-ই সবার প্রথম পছন্দ বলে জানান সংস্লিষ্টরা। অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটানা দুই মেয়াদের সরকার আমলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের উন্নয়ন কাজ রেকর্ড গড়েছে। কারন অতীতে অন্য কোন সরকার আমলেই এতো বেশি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের দিক নির্দেশনায় যথাযথ ভাবে প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। প্রধান প্রকৌশলী বলেন, নির্মাণ কাজের গুনগতমান সঠিক রাখার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে গণপূর্ত অধিদপ্তর।

বাস্তবায়িত উল্লেখযোগ্য প্রকল্প গুলোর মধ্যে রয়েছে (২০০৯-১০ থেকে ২০১৬-১৭) জাতীয় সংসদ ভবনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য ৪৪৮ টি ফ্ল্যাট নির্মাণ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের জন্য ৭৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলা একাডেমি ভবন নির্মাণ, চট্রগ্রাম ৪ তলা বিশিষ্ট নতুন আদালত ভবন নির্মাণ, মুন্সিগঞ্জ জেলায় ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ (২য় পর্যায়), গাজিপুরে শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিব মেমোািরয়াল বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং নার্সিং কলেজ নির্মান, ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ, মেহেরপুর মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্র নির্মাণ, ঢাকায় পুলিশ টাওয়ার নির্মান, ২টি এসএসএফ কোয়ার্টারস (১টি ১১ তলা কর্মকর্তাদের জন্য এবং ১টি ১৪ তলা কর্মচারীদের জন্য), বিএসটিআই ভবন, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) এর হোষ্টেল নির্মাণ, চট্টগ্রামে নতুন আদালত ভবন নির্মাণ, ঢাকায় ন্যাশনাল ইনষ্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ভবন এবং খিলগাঁও এ ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, তেজগাঁও এ জাতীয় ইএনটি ইন্সটিটিউট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প, প্রাকৃতিক দূর্যোগ সহনীয় প্রযুক্তির সাহায্যে সরকারী ভবন সমূহ নির্মাণ ও রেট্রোফিটিং কাজে সক্ষমতা বৃদ্ধি, ঢাকাস্থ আজিমপুরে সরকারী কলোনীতে বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ, মতিঝিলে সরকারী কলোনীতে বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ, জাতীয় সংসদ ভবনের পূর্ত কাজ, বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক সিস্টেম এর উন্নয়ন, বঙ্গভবনের অভ্যন্তরে রাষ্ট্রপতির রেসিডেন্স ব্লক সংলগ্ন পূর্বদিকে সুইমিংপুল স্থাপন, ঢাকাস্থ মিরপুর ৬ নং সেকশনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য ১০৬৪ টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ, ঢাকাস্থ মিরপুর পাইকপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য ৬০৮ টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ, মিরপুর ৬ নং সেকশনে গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/ কর্মচারিদের জন্য ২৮৮ টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ, ঢাকার বেইলী রোডে মন্ত্রীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ (মিনিস্টার্স এপার্টমেন্ট-৩ নির্মাণ), ইস্কাটনে সিনিয়র সচিব/সচিব/গ্রেড-১ কর্মকর্তাদের জন্য ৩টি ২০ তলা ভবনে ১১৪ টি ফ্ল্যাট নির্মাণ, ঢাকার মালিবাগে সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য ৪৫৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ, চট্রগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত জাম্বুরি মাঠে একটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বিশিষ্ট উদ্যান স্থাপন করা।
দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ঢাকার আজিমপুর কলোনীতে বিচারকদের আবাসনের জন্যে টাওয়ার নির্মাণ, ঢাকার মহাখালীতে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ, মিরপুর দারুস সালাম রোড, ঢাকায় সরকারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের জন্য বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ, ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন পরিত্যক্ত বাড়ি/ প্লট এ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ, ঢাকার মিরপুর-৬ এ গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাঠের কারখানা আঙ্গিনায় সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ, শেরে বাংলা নগরে জাতীয় সচিবালয় নির্মাণ, আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকায় বহুতল বিশিষ্ট সরকারি অফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্প।


গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, জমির সর্বোত্তম ব্যবহার ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে পরিকল্পিত অবকাঠামো বিনির্মাণে ভূমিকা রাখছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। দেশের সকল প্রকার নির্মাণ শিল্পে সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড এর প্রয়োগে কার্যকর ভূমিকা রাখা, ভবন নির্মাণে ভুমিকম্প প্রতিরোধক আধুনিক প্রযুক্তির হস্তান্তর, প্রয়োগ ও প্রসার এ কার্যকর ভুমিকা পালন করা হচ্ছে। তবে কিছু সমস্যাও রয়েছে। যেমন কর্মকর্তাদের যথাসময়ে পদোন্নতি না পাওয়া, রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী সরকারি সকল ভবন নির্মাণ কাজ গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত না হওয়া, স্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না পাওয়া, প্রকল্প প্রণয়ন ও অনুমোদনে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় ব্যয় হওয়া, কাজের অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে অর্থ বরাদ্দ না পাওয়া, প্রকৌশলীগণের জন্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উপর প্রশিক্ষণের সীমিত সুযোগ, শূণ্য পদে জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়া ইত্যাদী। তাই এসকল সমস্যা সমাধানে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।


প্রধান প্রকৌশলী জানান, জলবায়ু পরিবর্তন, বন উজাড়, পানি ঘাটতি, ক্ষয়িষ্ণু জীববৈচিত্র এবং ভূমিক্ষয় বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতা এবং বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম নয়। এটি ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বার্থরক্ষার জন্য পরম যতœবান হওয়ার আহ্বান জানায়। এমডিজি৭ -এর মাধ্যমে জাতিসংঘ উচ্চারিত আমাদের সার্বজনীন দায়িত্ব হলো পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, প্রকৃতি ও পৃথিবীর সঙ্গে সমন্বয় করা, যাতে করে মানবজাতির বর্তমান এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত চাহিদার মাঝে সাম্য বজায় থাকে। এর ধারাবাহিকতায় এবং বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম, নীতি ও আইন কানুন মেনে গণপূর্ত অধিদপ্তর তার উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে অধিদপ্তর বিশেষ যতœ নিয়ে থাকে। তিনি বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তর তার উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে জলাশয় হারানো, পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ক্ষতি, প্রাকৃতিক বনভূমির ক্ষতি এবং কৃষিজমি হারানোর মতো বিষয়গুলো সাবধানতার সাথে বিবেচনা করে থাকে। সকল প্রকল্প এলাকায় বৃক্ষরোপন এবং হ্রদ ও পুকুর নির্মান ও সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। ভবন ও স্মৃতিস্তম্ভ সংরক্ষণ, স্থাপত্যমান সম্পন্ন কাঠামো এবং বিশেষ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য রক্ষার বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। এছাডাও বর্জ্য নিস্কাশন ব্যবস্থাপনা যুক্ত করা এবং ভবনবাসীদের জন্য পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার মত বিষয়গুলো যতœ সহকারে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা হয়। পরিবেশ বিষয়ে সরকারের স্বার্থ রক্ষায় গণপূর্ত অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, গণপূর্ত অধিদপ্তর বিগত অর্থবছরে ২৯টি মন্ত্রণালয়ের প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে এ অধিদপ্তর অনেক সক্ষমতাও দেখাতে পেরেছে। রূপপুর পারমানবিক কেন্দ্রে মাত্র ১৩ মাসে তিনটি ২০ তলা ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ করেছে। এসব ভবনের গুণগতমান যাচাই করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেখানে বিদেশিরাও বসবাস করছে। তিনি বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের সক্ষমতা ও দক্ষতা অনেকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন কাজের গুণগত মানের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সাথে দরপত্রের শর্তাবলী সঠিকভাবে অনুসরণ করা এবং ভবন নির্মাণের সাথে সাথে তার রক্ষণাবেক্ষণের প্রতিও গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। কারন একটি ভবনের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ হলো ঐ ভবনের প্রাণ। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য আবাসিক ভবননির্মাণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব ভবন গণপূর্ত অধিদপ্তরই বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যে বিচারপতিগণের জন্য এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জন্য ২০ তলা আবাসিক ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজিমপুর ও মতিঝিলেও আটটি ২০ তলা আবাসিক ভবননির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে মতিঝিল ও আজিমপুরে প্রত্যেক এলাকায় প্রায় দুই হাজারটি পরিবার বসবাস করে। এসব এলাকার জরাজীর্ণ ভবন ভেঙ্গেনতুন বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। ফলে এ দু’টি এলাকায় প্রায় ২০ হাজারপরিবার বসবাস করতে পারবে। এসব ভবনের জন্য পৃথক এসটিপি স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে সকল সরকারি ভবনে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিরপুরের স্বপ্ন নগরে পানি পরিশোধনাগার ও এসটিপি স্থাপন করা হচ্ছে।

এদিকে রাজধানীর মতিঝিল এবং আজিমপুর সরকারি কলোনি এলাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আধুনিক সুযোগসুবিধা সংবলিত ১০টি বহুতল ভবন গত ৭ জুলাই উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব ভবনে মোট ৯৮৮টি ফ্ল্যাট রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিদ্যমান আবাসন সুবিধা ৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশে উন্নীত করার অংশ হিসেবে মতিঝিলে চারটি ২০তলা ভবনে মোট ৫৩২টি এবং আজিমপুরে ৬টি ২০তলা ভবনে মোট ৪৫৬টি ফ্লাটের উদ্বোধন করা হয়। ভবনগুলো উদ্বোধনের পর সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, জনসেবাই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ঢাকা, চট্টগ্রাম মহানগরীসহ অন্যান্য শহরে বহুতল বিশিষ্ট মোট ২৩টি আবাসিক প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ সকল প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন আয়তনের মোট ৯৭০২টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আরো ১৯টি প্রকল্পের আওতায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মোট ৮১৯০টি ফ্ল্যাটের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

মতামত